পিনাট বাটারে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম পিনাট বাটারে প্রায় ২৫-৩০ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়, যা পেশি গঠন এবং শরীরের ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। যারা নিরামিষভোজী বা জিম করেন, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ খাবার।
এতে অসম্পৃক্ত চর্বি (Monounsaturated Fats) থাকে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।
পিনাট বাটারে ফাইবার এবং প্রোটিন বেশি থাকায় এটি খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগে না এবং অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে এতে ক্যালোরি বেশি থাকায় পরিমিত পরিমাণে খাওয়া জরুরি।
এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকায় এটি দ্রুত শরীরে শক্তি যোগাতে পারে। শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রমের পর এটি দারুণ এনার্জি বুস্টার হিসেবে কাজ করে।
পিনাট বাটারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) কম। এটি রক্তে শর্করা বা সুগারের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী হতে পারে (চিনিমুক্ত বা প্রাকৃতিক পিনাট বাটার হলে)।
এতে ভিটামিন-ই, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ভিটামিন-ই ত্বক ভালো রাখে এবং ম্যাগনেসিয়াম হাড় ও পেশির কার্যকারিতা বাড়ায়।
সতর্কতা:
যাদের বাদামে অ্যালার্জি আছে, তাদের পিনাট বাটার এড়িয়ে চলা উচিত।
বাজারে পাওয়া অনেক পিনাট বাটারে অতিরিক্ত চিনি বা লবন মেশানো থাকে, তাই কেনার সময় লেবেল দেখে ‘ন্যাচারাল’ বা ‘চিনিমুক্ত’ ভার্সনটি বেছে নেওয়াই ভালো।